x

এইমাত্র

  •  ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৫৪ জন
  •  করোনা মোকাবিলায় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস চীনের
  •  শবে বরাতে কবরস্থানে জনসমাগম না করার আহ্বান
  •  গণমাধ্যমকর্মীদের বিশেষ প্রণোদনা দিতে সরকারের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ
  •  যুক্তরাষ্ট্রে একদিনেই ১২৫৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩০ হাজার

নির্ভয়ার চার ধর্ষকের ফাঁসি বহাল

প্রকাশ : ০৫ মে ২০১৭, ১৭:৪০

জাগরণীয়া ডেস্ক

ভারতের দিল্লিতে নির্ভয়ার গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় চার অপরাধীর ফাঁসির সাজা বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

আজ শুক্রবার ভারতের দিল্লির হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেয়।  

২০১৩ সালে চার জনের ফাঁসির সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালতে। পরের বছর দিল্লি হাইকোর্টও একই সাজা বহাল রাখে। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল দোষীরা।

২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সঙ্গীর সঙ্গে সিনেমা দেখে বাড়ির পথে রওনা দেন ফিজিওথেরাপির ছাত্রী নির্ভয়া। তার প্রকৃত নাম জ্যোতি সিংহ। দক্ষিণ দিল্লিতে একটি বাসে ওঠেন তারা। সেই বাসে ছিল আরও ছয়জন।

বাসচালক রাম সিংহ আশ্বাস দেয় নির্দিষ্ট জায়গায় তাদের নামিয়ে দেয়া হবে। কিন্তু বাস চলতে শুরু করলে জ্যোতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অন্যরা। সঙ্গীর সামনেই জ্যোতিকে একে একে ধর্ষণ করে ছয়জন। এতেও থেমে থাকেনি তারা। জ্যোতির শরীরে লোহার রড ঢুকিয়ে দেয়া হয়। টেনে বের করে আনা হয় তার নাড়িভুঁড়ি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু অবস্থায় উন্নতি না হওয়া সিঙ্গাপুরে উন্নতর চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। সেখানেই মারা যান তিনি।

এই ঘটনার পর পুরো ভারত বিক্ষোভে উত্তাল হয়। প্রাথমিকভাবে জ্যোতির নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়। নির্ভয়া বা দামিনী নামেই তার উল্লেখ করা হয় সংবাদমাধ্যমে। পরে প্রকাশ্যে আসেন তার মা-বাবা। মেয়ের নাম-পরিচয়ও জানান তারা।

ঘটনায় অভিযুক্ত ছয়জনের মধ্যে একজন নাবালক ছিল। ওই নাবালকসহ অভিযুক্ত অক্ষয় ঠাকুর, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্ত, রাম সিং, ও মুকেশকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর গত ২০১৩ সালে নিম্ন আদালতে বিচার শুরু হয় তাদের। তবে ঘটনার সময় এক অভিযুক্তের বয়স ১৮ বছর থেকে মাসখানেকের কম হওয়ায় তাকে জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়। নিম্ন আদালতে মামলা চলাকালীনই ২০১৩ সালের মার্চে তিহার জেলে আত্মহত্যা করে রাম সিংহ।

অক্ষয় ঠাকুর, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্ত, ও মুকেশকে ফাঁসির সাজা শোনায় নিম্ন আদালত। একই রায় বহাল রাখে হাইকোর্টও।

জুভেনাইল কোর্টে তিন বছরের সাজা মেলে ওই নাবালকের। গত ২০১৫ সালে সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পায় সে। তবে ফাঁসির সাজার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে অক্ষয় ঠাকুর, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্ত, ও মুকেশ। আজ সেই আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত