x

এইমাত্র

  •  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একদিনে ১৮ জন করোনায় আক্রান্ত
  •  ২০ মিনিটে করোনা টেস্টের ট্রায়াল শুরু যুক্তরাজ্যে
  •  গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন সংক্রমিত ১৬৯৩ জন, মৃত্যু ২৪
  •  বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৯৭ জন
  •  বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ ২০ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৩ জন

আইএলও প্রতিবেদন

বেকারত্বের হার ৭ বছরে দ্বিগুণ

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৫৫

জাগরণীয়া ডেস্ক

বাংলাদেশে তরুণ বেকারত্বের হার গত ৭ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আঞ্চলিক কর্মসংস্থান নিয়ে করা ‘এশিয়া-প্যাসিফিক এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল আউটলুক-২০১৮’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ২৮টি দেশের মধ্যে বেকারত্বের হারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের উপরে রয়েছে শুধুই পাকিস্তান। গত ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত করা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেকারত্ব আগের সাত বছরের তুলনায়, ২০১৭ সালে ১২ দশমিক ৮ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। যার মধ্যে উচ্চশিক্ষিত বেকার  ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। বলা হচ্ছে, তরুণরা যত বেশি শিক্ষিত হচ্ছেন, তত বেকার হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে। 

তাছাড়া কোনো ধরনের শিক্ষায় যুক্ত নন, প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন না, আবার কাজও খুঁজছেন না- এমন নিস্ক্রিয় রয়েছেন তরুণদের একটি বড় অংশ। এমন বেকারদের মধ্যে মেয়েদের হার ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি আর ছেলের হার ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, আইএলওর মানদণ্ড অনুযায়ী, সপ্তাহে এক ঘণ্টা কাজ করলেই একজন ব্যক্তি আর বেকারের তালিকায় থাকেন না।

গত এপ্রিলে প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে বেকার সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার। এর মধ্যে  ন্যুনতম স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে সাড়ে ৪০ হাজার তরুণ-তরুণী বেকার ছিলেন। এছাড়া উচ্চমাধ্যমিক পাস করে বেকার ছিলেন ৬ লাখ ৩৮ হাজার। 

আইএলওর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাজে যুক্ত ৫৪ শতাংশ বাংলাদেশি তাদের বেতন বা মজুরী নিয়ে সন্তুষ্ট নন। অবশ্য এটা অঞ্চলের সাধারণ চিত্র। এ বিষয়ে আইএলওর প্রতিবেদনের লেখক সারা এলডার বলেন, এই অঞ্চলে ব্যাপক অর্থনৈতিক অগ্রগতি হলেও এটা খুবই হতাশাজনক যে এখনো অনেক শ্রমিক শুধু খেয়ে-পরে বেঁচে থাকে।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য শামসুল আলম বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষিতরা যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের মনমতো চাকরি না পায়, ততক্ষণ নিজেকে কর্মজীবী বলে স্বীকার করে না। কোচিংয়ে পড়ানো, অনলাইনে কাজ করাকে তারা কাজ হিসেবে গণ্য করে না। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকেই বাজারমুখী করতে হবে। শিল্প খাতে যে ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, সে অনুযায়ী জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত