x

এইমাত্র

  •  বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ ৬৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৫০ জন
  •  বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ৫ লাখ ২৯ হাজার ১৯৭ জন
  •  রেমডেসিভির ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ইইউ
  •  ইতালি গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না বাংলাদেশিরা, আক্রান্ত ৭

রাবিতে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম বন্ধ

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:০৫

জাগরণীয়া ডেস্ক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিউটের শিক্ষক বিষ্ণু কুমার অধিকারীর বিরুদ্ধে থাকা যৌন নির্যাতন অভিযোগটি তদন্তের শেষ পর্যায়ে এসে পদত্যাগ করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের সভাপতি সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস। এ কারণে বন্ধ হয়ে গেছে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম। এর ফলে ঝুলে আছে প্রায় ১০টির মতো যৌন নির্যাতন বিষয়ক অভিযোগের নিষ্পত্তি।  আর পদটি খালি আছে গত ছয় মাস ধরে।

সেলের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. লায়লা আরজুমান বানু জানান, ২০১৯ সালের ৮ আগস্ট ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস। পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সভাপতির কার্যক্রম থেকে সরে আসেন তিনি। এই অবস্থায় যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। 

তিনি আরও জানান, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, ক্রপ সায়েন্স বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ১০টি অভিযোগ রয়েছে। সভাপতি না থাকায় সেলের কার্যক্রম এখন বন্ধ। দীর্ঘসূত্রিতা বাড়ছে। নতুন সভাপতি না আসলে কার্যক্রম পরিচালনা মুশকিল হয়ে পড়েছে।

সেলের কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, দায়িত্বের সময়ে বড় অভিযোগ ছিল শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিউটের শিক্ষক বিষ্ণু কুমার অধিকারীর বিষয়টি। আমরা অভিযোগটার বিষয়ে অনেক দূর গিয়েছিলাম। শুধু ওই শিক্ষকের একটি বক্তব্য দরকার ছিল। শেষ পর্যন্ত চলে আসছিলাম তারপরও শেষটা হয়নি। এরপরেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম।

এদিকে পদত্যাগপত্র জমা হলেও সভপতিকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসেনি। ওই পদে নতুন কোনো সভাপতি নিয়োগ দেননি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য।

পদত্যাগপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হলেও সেলের কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, যেহেতু পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি এবং আমাকে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি তাই আমি আর সেলের কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছি না। এখন নতুন কাউকে নিয়োগ দিয়ে সেলটি সক্রিয় করা হবে বলে আশা করছি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত