x

এইমাত্র

  •  শক্তি হারাচ্ছে করোনাভাইরাস, দাবি ইতালির চিকিৎসকের
  •  চিন্তায় বিজ্ঞানীরা, বন্ধ হয়ে যেতে পারে ভ্যাকসিনের পরীক্ষা
  •  গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন সংক্রমিত ২৩৮১ জন, মৃত ২২ জন
  •  বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩২৭ জন
  •  বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ ২৮ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭৪ জন

কক্সবাজারে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

প্রকাশ : ১২ মে ২০২০, ১৬:১৬

জাগরণীয়া ডেস্ক

কক্সবাজারে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার সাজ্জাদ হোসেন (৩৮) নামে এক আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র ও গুলি।

১১ মে (সোমবার) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে চকরিয়া-পেকুয়া-বাঁশখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের চকরিয়ার কোনাখালী মরংঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাজ্জাদ হোসেন পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কিল্লাঘোনা এলাকার আবুল হোসন ওরফে পুতুর ছেলে ও অটোরিকশা চালক ছিলেন।

চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমানের ভাষ্য, ভোরে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এলাকায় গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বর্ণনায় ওসি বলেন, ‘গত ৬ মে রাতে কক্সবাজারে বাড়িতে ফেরার জন্য চট্টগ্রাম থেকে এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে পেকুয়া বাজারে পৌঁছান চম্পা বেগম (১৯) নামের এক তরুণী। পরে সেখান থেকে গাড়ি বদলে চকরিয়ার যাওয়ার উদ্দ্যেশে একটি অটোরিকশায় ওঠেন কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়া এলাকার এ তরুণী।’

তিনি বলেন, ‘পথে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এলাকায় মেয়েটিকে ধর্ষণের পর চলন্ত গাড়ি থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। পরে রাত ১২ টার দিকে চম্পার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।’

ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের বাবা রুহুল আমিন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ৭ মে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জয়নাল আবেদীন নামের পেকুয়ার কিল্লঘোনা এলাকার আরেক অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনায় জড়িতদের নাম জানায় এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।’

সোমবার সকালে পেকুয়ার স্থানীয়রা চম্পা হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন আসামি সাজ্জাদকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বলে ওসি জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ পুলিশের কাছে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে অস্ত্র উদ্ধার এবং চম্পা হত্যায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে যায় পুলিশ।’

তিনি বলেন, ‘এ সময় সাজ্জাদের সহযোগিরা পুলিকে লক্ষ্য করে গুলি করলে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। এ সময় সাজ্জাদসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হলে তাদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সাজ্জাদকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় তৈরি ২টি বন্দুক, ৬টি গুলি ও কয়েক রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধারের খবরও জানায় পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত