x

এইমাত্র

  •  করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে ষষ্ঠ ব্যক্তির মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত তিনজন
  •  বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু ৪২ হাজার ছাড়াল, আক্রান্ত সাড়ে ৮ লাখের বেশি মানুষ
  •  করোনা ভাইরাস মহামারি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
  •  ৩০০ দুস্থ ও অসহায় মানুষকে খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেমি ডে

জিয়া-খালেদা-এরশাদ বাংলাদেশের মাটির সন্তান নয়

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:২২

জাগরণীয়া ডেস্ক

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়া-খালেদা-এরশাদ বাংলাদেশের মাটির সন্তান নয়। এ পর্যন্ত যতজন ক্ষমতায় এসেছে একজনও বাংলাদেশের মাটির সন্তান নয়। একমাত্র আমার বাবা এবং আমি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মাটির সন্তান।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইতালি সফররত প্রধানমন্ত্রী এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। রোমের ‘পারকো প্রিনসিপি গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড স্পা’তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনার আয়োজন করে আওয়ামী লীগের ইতালি শাখা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত  যতজন ক্ষমতায় এসেছে আপনারা হিসেব করে দেখবেন, একজনও বাংলাদেশের মাটির সন্তান না। জিয়াউর রহমানের জন্ম বিহারে, এরশাদের জন্ম কুচবিহারে, খালেদা জিয়ার জন্ম শিলিগুড়িতে। একমাত্র আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আমি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মাটির সন্তান।

তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের মাটির টান আছে এজন্য আমাদের একটা কর্তব্যবোধ আছে। দেশকে উন্নত করতে হলে দেশকে জানতে হয়। অনেকেই ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু এদেশ সম্পর্কে জানে না। কারণ যাদের জন্ম বাংলাদেশের মাটিতে হয়নি তারা জানবে কোথা থেকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যে কোনও দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। আর কেউ বাংলাদেশকে পেছনে টেনে নিতে পারবে না। আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ৯০ শতাংশই বাস্তবায়িত হচ্ছে নিজস্ব অর্থায়নে। এখন দাতারা আমাদের ভিক্ষা দিতে আসে না। এর পরিবর্তে তারা উন্নয়ন সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে সহায়তা দিতে আসে। কারণ, আমরা আর কারও ভিক্ষা চাই না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি যেকোনও কাজই নিজেরা করতে পারি। এই সেতু নিয়ে সরকারকে দোষারোপ করতে চেয়েছিল বিশ্বব্যাংক। আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে বললাম, নিজস্ব তহবিলে পদ্মা সেতু বানাবো। আর এখন আমরা নিজস্ব অর্থেই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার সেই অবস্থান থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে আমরা এটা এগিয়ে নিয়ে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের  দেশে পরিণত করবো। এই লক্ষ্য পূরণে আমরা ইতোমধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আর কেউ আমাদের পেছনে টানতে পারবে না, আর আমরা সামনে এগিয়ে যেতে থাকবো...।

রোমের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, ইতালি আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফারাজি, সাধারণ সম্পাদক হাসান ইকবাল এবং প্রবাসী বাংলাদেশের পক্ষে হোসনে আরা বেগম বক্তব্য রাখেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন-ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার এবং যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত