x

এইমাত্র

  •  করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে নতুন সংক্রমিত দু'জন, মোট রোগী ৫১
  •  বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু ৩৮ হাজার ছাড়াল, আক্রান্ত সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ
  •  নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ি ভাড়া মওকুফের অনুরোধ মেয়র আতিকের
  •  রোগীর সেবাকারীরাই পিপিই পাচ্ছেন না, অন্যরা পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেনঃ প্রধানমন্ত্রী

‘শুধু আইন করে নারী নির্যাতন বন্ধ সম্ভব নয়’

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৩৭

জাগরণীয়া ডেস্ক

নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা আইন করেছি, কিন্তু শুধু আইন কার্যকরের মাধ্যমে সবকিছু হবে না…। নারী-পুরুষ সবাইকে সচেতন হতে হবে, যাতে কেউ এ ধরনের নির্যাতনের শিকার না হয়।

০৯ ডিসেম্বর (সোমবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেগম ফজিলাতুনন্নেসা ইন্দিরা, স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন্নাহার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্দার আড়ালে থাকা নারী এখন অন্ধকার থেকে আলোর পথে চলে আসছে। তারা এখন সমাজের সর্বস্তরে পুরুষের পাশাপাশি কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশের যে সফলতা এর পেছনে নারীর অবদান কোনো অংশেই কম নয়।

তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে জুডিশিয়ারি সার্ভিসে কোনো মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সংবিধানে নারীদের যে অধিকার দিয়েছিলেন সেই অধিকারের ফলে নারীরা এখন সর্বত্র এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ সরকারের বড় বড় পদে নারীরা যেতে পারত না, কিন্তু এখন সে বাধা দূর হয়েছে। আমি ক্ষমতায় আসার পর নারীদের মধ্য থেকে বিচারক নিয়োগ দিয়েছি, সচিব নিয়োগ দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ডিসি-এসপি, পাইলট, নৌবাহিনী-বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনীতে প্রচুর নারী কাজ করছে দক্ষতার সঙ্গে। নারীদের যখন সচিব-ডিসি-এসপি নিয়োগ দেই তখন আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে; কিন্তু কোনো কথাই আমি শুনিনি। আমি যাকে এসপি নিয়োগ দিয়েছিলাম প্রথমে সে এক হাতে পিস্তল এবং অন্য হাতে ডাকাত ধরে সে প্রমাণ করেছে যে নারীরাও পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েদের যখন ফুটবল খেলা শুরু হলো তখন সমাজের বিভিন্ন দিক থেকে বাধা আসে। পরে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে খেলাধুলা শুরু করা হলো। এখন তারাই আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের দেশের সুনাম বয়ে নিয়ে আসছে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ পাওয়া বিশিষ্ট পাঁচ নাগরিকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

পদক প্রাপ্তরা হলেন- বেগম সেলিনা খালেক, অধ্যক্ষ শামসুন নাহার, ড. নুরুননাহার ফয়জননেসা (মরণোত্তর), পাপড়ি বসু এবং বেগম আখতার জাহান। পদকপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে অনুষ্ঠানে বেগম সেলিনা খালেক বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের সেই ০৯ ডিসেম্বরই তাঁর মৃত্যু হয়। রোকেয়ার উল্লেখযোগ্য রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘সুলতানার স্বপ্ন’, ‘মতিচূর’, ‘অবরোধ বাসিনী’, ‘পদ্মরাগ’ ইত্যাদি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত