x

এইমাত্র

  •  সাংসারিক বিরোধে স্বামীর গলা কেটে হত্যা করলো স্ত্রী
  •  ৩ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর
  •  গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন সংক্রমিত ২৬৩৫ জন, মৃত ৩৫ জন
  •  বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩৫ জন
  •  বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৩০৮ জন

‘৩২ নম্বরে যেন কারবালার ঘটনার পুনরাবৃত্তি’

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০১৯, ২০:২৮

জাগরণীয়া ডেস্ক

কারবালায় যেভাবে নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যেন কারবালার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। সেদিন ভাগ্যক্রমে আমরা দুই বোন বেঁচে যাই- বললেন আওয়ামী লীগ প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

৩০ আগস্ট (শুক্রবার) বিকাল ৩ টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভাষণের শুরুতে ১৫ অগাস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার তার মা-বাবা-ভাই এবং তাদের স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৫ দিন আগেই আমি বিদেশে চলে যাই। সেদিন আমরা দুটি বোন দেশে আসতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি। আমাদের আসতে দেয়া হয়নি, আসতে বাধা দেয়া হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তুলে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়। যে জাতি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের জন্য বিশ্বব্যাপী বিজয়ী জাতি হিসাবে সন্মান পেয়েছিল, সেই জাতি পরবর্তীতে একটা খুনি জাতি হিসাবে মানুষের কাছে পরিচিত হলো।

তিনি বলেন, আমি কখনই ভাবতে পারিনি, যে মানুষটা তাদের পরিচয় দিয়ে গেল, একটা দেশ দিয়ে গেল, এরকম ভাবে বাংলাদেশের মানুষ এমন একজন মানুষকে হত্যা করলো। 

তিনি বলেন, জাতির পিতার খুনিদের শাস্তি না দিয়ে বরং খুনিদের পুরস্কৃত করা হয়, বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেয়া হয়। খুনিদের বিচার না করে তাদের ইনডেমনিটি দেয়া হল। অর্থাৎ অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়া হলো। 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়ন করতে আমি মৃত্যুকেও ভয় পাই না। জাতির পিতার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণে আমি আমার শেষ নিঃশ্বাস অবধি কাজ করে যেতে চাই।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত