স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন!

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:১২

জাগরণীয়া ডেস্ক

নীলফামারীতে সরকারি কর্মকর্তা স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, মামলা দিয়ে হয়রানি এবং হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বামী।

৭ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে নীলফামারী শহরের বড় মসজিদ সড়কের মিডিয়া হাউজে ঢাকা শিল্পকলা একাডেমিতে কর্মরত জেলার কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম ইলুর বিরুদ্ধে সংসার না করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন স্বামী নাহিদুজ্জামান ডেভিড।

এসময় ওই দম্পতির সাত বছরের শিশু সন্তান আহনাফ তাহমিদ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাহিদুজ্জামান ডেভিট অভিযোগ করে বলেন, তার সাথে ২০০৫ সালের ২৫ মে পারিবারিক ভাবে রংপুরের ইসলামবাগ হুনুমান তলা মহল্লার খন্দকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম ইলুর বিয়ে হয়। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের আহনাফ তাহমিদ নামের সাত বছর বয়সী এক সন্তান রয়েছে। জন্মের পর থেকেই হৃদ রোগে আক্রান্ত সন্তান তাহমিদ। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্ত্রী খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম ইলু সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধিনে জেলা কালচারাল কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী পেয়ে বর্তমানে ঢাকা শিল্পকলা একাডেমিতে কর্মরত রয়েছেন। এদিকে চাকুরীতে যোগদানের পর থেকেই অন্য পুরুষের সাথে পরকীয়ার সর্ম্পক গড়ে স্বামী-সন্তানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন তিনি।

ডেভিড আরো অভিযোগ করেন, হৃদ রোগে আক্রান্ত সন্তানের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাড়িতে জমাকৃত প্রায় পাঁচ লাখ টাকা চাকুরীতে যোগদানের সময় নিয়ে যায় স্ত্রী খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম ইলু। এদিকে ওই টাকা চাইতে গেলে তিনি তাকে ও তার সন্তানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি এমনকি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবী আখ্যায়িত করে 'সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন' করে যাচ্ছেন।

নাহিদুজ্জামান ডেভিড তার লেখিত বক্তব্যে আরো বলেন, তাকে সংসারে ফিরিয়ে আনার জন্য চলতি বছর নীলফামারী জেলা জজ আদালতে দাম্পত্য পুনঃউদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছি।

খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম ইলুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার স্বামী একজন মাদকাসক্ত। তার অত্যাচার নির্যাতনে আমি সহ্য করে চলছি। চাকুরী পেয়ে ছেলের ভরণ পোষণের খরচও বহন করছি।

তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১ দিন থেকে নাহিদুজ্জামান ডেভিড তাকে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে তার কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। এমনকি সন্তানকেও হত্যার হুমকি দিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত